হরতালের নাশকতায় পুড়ে যাওয়া আসাদ গাজী মারা গেছে

HartalBurnDeathআরিফুল ইসলাম: হরতালের নাশকতায় পুড়ে যাওয়া আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আঠারো দলীয় জোটের ডাকা টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের আগের দিনে, সাভারের নবীনগরে সিএনজিতে দেয়া পেট্রোল বোমার আগুনে ঝলসে যায় সিএনজি অটোরিক্সা চালক আসাদ গাজীর শরীর। এগারো দিন চিকিৎসার পর গতরাতে সে মারা যায়।

শুক্রবার গভীর রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে আবারো ওঠে কান্নার মাতম। সাভারের সিএনজি চালক আসাদ গাজীকে আর বাঁচানো গেল না। প্রতিমাসে বাবা ঢাকা থেকে টাকা পাঠালেই কেবল কোনো রকমে চলতো তার গ্রামের সংসার। বাবাকে পুড়িয়ে দিয়েছে শুনে মায়ের সাথে হাসপাতালে এসেছিল দশ বছরের মেয়ে তানিয়া। ইচ্ছে ছিল বাবাকে সঙ্গে নিয়েই বাড়ি ফিরবে।

এখন আসাদ গাজীর স্ত্রীর একটাই প্রশ্ন, এবার কিভাবে চলবে তার সংসার। এখন তার সংসারের দায়িত্ব নেবে কে?

চিকিৎসকরা জানালেন, আসাদ গাজীর শরীরের পঁয়ত্রিশ শতাংশ পুড়েছিল পেট্রোল বোমার আগুনে। এগারো দিন জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ করে অবশেষে হার মানলেন আসাদ গাজী।

চিকিৎসকরা বলছেন, হরতালে পুড়িয়ে দেয়া এই নয়জনের বেশিরভাগই আশঙ্কাজনক। শুধু এখানেই নয়, বার্ন ইউনিটের অন্যান্য ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরো অনেকে।

লেখার বিষয় : বাংলাদেশ